Sunday, 30 November 2025
RSS Facebook Twitter Linkedin Digg Yahoo Delicious
সংবাদ শিরোনাম
 

October 2025

30 October 2025

বন্ধ হচ্ছে অবৈধ মোবাইল ফোন, কীভাবে জানবেন বৈধ কিনা

দেশে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ হবে অবৈধ মোবাইল ফোন। এ লক্ষ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) নামের একটি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, নতুন এ ব্যবস্থায় শুধু অনুমোদিত, মানসম্মত ও বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোন সংযুক্ত হতে পারবে। অবৈধ বা ক্লোন আইএমইআই (মোবাইলফোন শনাক্তকরণ নম্বর) মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারবে না। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি হয় অবৈধ ডিভাইস ও সিম থেকে। এনইআইআর চালুর মাধ্যমে তা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। অবৈধ মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেটের কারণে প্রতিবছর সরকারের ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়। নতুন মোবাইল ফোন কেনার আগে করণীয় বিটিআরসি জানিয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর থেকে যেকোনো মাধ্যম থেকে (বিক্রয়কেন্দ্র, অনলাইন বিক্রয়কেন্দ্র, ই-কমার্স সাইট ইত্যাদি) মোবাইল ফোন কেনার আগে অবশ্যই তার বৈধতা যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোন কেনার রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। মোবাইল ফোন বৈধ হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর ব্যবস্থায় নিবন্ধিত হয়ে যাবে। কীভাবে জানবেন মোবাইল ফোনটি বৈধ কিনা ধাপ-১: মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখুন। উদাহরণস্বরূপ KYD 123456789012345। ধাপ-২: আইএমইআই নম্বরটি লেখার পর ১৬০০২ নম্বরে পাঠিয়ে দিন। ধাপ-৩: ফিরতি বার্তার মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন। বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পাওয়া মোবাইল ফোনের নিবন্ধন বিদেশ থেকে ব্যক্তিপর্যায়ে বৈধভাবে কেনা বা উপহার পাওয়া মোবাইল ফোন প্রাথমিকভাবে নেটওয়ার্কে সচল হবে। খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য দাখিলের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে। দাখিল করা তথ্য যাচাই–বাছাইয়ের পর শুধু বৈধ মোবাইলফোন নেটওয়ার্কে সচল হবে। বিদেশ থেকে কেনা বা উপহার পাওয়া মোবাইল ফোন নিবন্ধনের উপায় ধাপ-১: neir.btrc.gov.bd পোর্টাল ভিজিট করে আপনার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করুন। ধাপ-২: পোর্টালের ‘Special Registration’ সেকশনে গিয়ে মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বর দিন। ধাপ-৩: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ছবি/স্ক্যান কপি (পাসপোর্টের ভিসা/ইমিগ্রেশন, ক্রয় রশিদ ইত্যাদি) আপলোড করুন। এরপর সাবমিট বাটনে চাপ দিন। ধাপ-৪: মোবাইলফোনটি বৈধ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। বৈধ না হলে এসএমএসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানিয়ে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহকসেবা বা কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সাহায্যেও এই সেবা নেওয়া যাবে। যাত্রী (অপর্যটক) ব্যাগেজ (আমদানি) বিধিমালা (ব্যাগেজ রুলস নামে পরিচিত) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে দেশের নেটওয়ার্কে আগে ব্যবহৃত ব্যক্তিগত একটি বাদে সর্বোচ্চ একটি মোবাইল ফোন বিনা শুল্কে আনতে পারবেন। আর শুল্ক দিয়ে আরও একটি মোবাইল ফোন আনতে পারবেন। নিবন্ধিত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া ১৬ ডিসেম্বর থেকে গ্রাহকের ব্যবহৃত হ্যান্ডসেট বিক্রি বা হস্তান্তরের প্রয়োজন হলে ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করে তা করা যাবে। ডি-রেজিস্ট্রেশন করার সময় অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) শেষের চার ডিজিট দিতে হবে। গ্রাহকের ব্যবহৃত হ্যান্ডসেট নিচের মাধ্যমগুলোর সাহায্যে ডি-রেজিস্ট্রেশন করা যাবে— (ক) সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd) (খ) এমএনও পোর্টাল (গ) মোবাইল অ্যাপস (ঘ) ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#) ডি-রেজিস্ট্রেশনের শর্ত (ক) ডি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য গ্রাহকের হ্যান্ডসেটে ব্যবহৃত সিম অবশ্যই নিজ এনআইডিতে নিবন্ধিত হতে হবে। (খ) ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই–সংবলিত হ্যান্ডসেটটি ডি-রেজিস্ট্রেশন করার সময় অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে। করপোরেট সিম ব্যবহারকারী গ্রাহকের ক্ষেত্রে ডি-রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া করপোরেট সিম ব্যবহারকারীদের ৩০ দিনের মধ্যে ইউএসএসডি চ্যানেল বা সিটিজেন পোর্টালের মাধ্যমে ব্যক্তিগত এনআইডির তথ্য দেওয়ার জন্য এসএমএসের মাধ্যমে অবহিত করা হবে। বর্ণিত তথ্য জমা সাপেক্ষে ব্যক্তিগত এনআইডি বা কি-কন্টাক্ট-পয়েন্টের (কেসিপি) এনআইডি দিয়ে ডি-রেজিস্ট্রেশন সুবিধা নেওয়া যাবে। অন্যথায় শুধু কি-কন্টাক্ট-পয়েন্টের এনআইডির তথ্য দিয়ে ডি-রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। চুরি বা হারালে ব্লক করার প্রক্রিয়া গ্রাহকের ব্যবহৃত হ্যান্ডসেট চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd)/মোবাইল অ্যাপস বা মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকসেবাকেন্দ্র থেকে যেকোনো সময়ে লক বা আনলক করা যাবে। যেসব গ্রাহকের ইন্টারনেট সংযোগ নেই, তাদের এনইআইআর সেবা নেওয়ার প্রক্রিয়া মোবাইল ফোন গ্রাহক ইউএসএসডি চ্যানেল বা এনইআইআরের (neir.btrc.gov.bd) সিটিজেন পোর্টাল বা মোবাইল অ্যাপস বা মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে এনইআইআর সিস্টেমের সেবা নিতে পারবেন। তবে যেসব গ্রাহকের ইন্টারনেট সংযোগ নেই, তারা ইউএসএসডি চ্যানেল বা ১২১ ডায়াল করে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকে এনইআইআর সেবা নিতে পারবেন। মোবাইল বিটিআরসি

Read more

বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য

দেশসেরা চক্ষু বিশেষজ্ঞ এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে চোখের রোগনির্ণয়, চিকিৎসা এবং অপারেশন করা হয় বসুন্ধরা চক্ষু হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটে। এই হাসপাতালে বসুন্ধরা, কুড়িল, নর্দ্দা, বাড্ডা, রামপুরা, খিলক্ষেতসহ আশপাশের এলাকা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ চক্ষুসেবা নিতে আসে। এ ছাড়াও আমরা দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রান্তিক অঞ্চলে চক্ষুশিবির/ক্যাম্পের আয়োজন করে থাকি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চক্ষু চিকিৎসকগণ এখানে চক্ষু রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার জন্য রোগী রেফার করেন। বিশ্বের সর্বাধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে চোখের রোগ নির্ণয় ও অপারেশনের ব্যবস্থা এই হাসপাতালে রয়েছে। এই সুবিধা ঢাকা শহরের হাতে গোনা অল্প কিছু হাসপাতালে রয়েছে। ২০১৪ সালে এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখানে বছরে প্রায় ৪০ হাজার রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই হাসপাতালে রেটিনা, কর্নিয়া, গ্লুকোমা, অকুলোপ্লাস্টি, নিউরো অফথালমোলজি এবং শিশু চক্ষু রোগ বিষয়ে সেবা দেওয়া হয়। সব ধরনের ছানি অপারেশন করা হয় বিশ্বের সর্বাধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে। চোখের রোগ নির্ণয়ের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি আমাদের হাসপাতালে রয়েছে। লেজার চিকিৎসা ও অপারেশনের মাধ্যমে গ্লুকোমা রেটিনার চিকিৎসা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে আমরা করে থাকি। আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষতার জন্য হাসপাতালের চিকিৎসকদের জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়মিত ফেলোশিপের জন্য পাঠানো হয়। চোখের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে রোগীরা এই হাসপাতালে আসেন। তবে ইদানীং লাল চোখ বা চোখ ওঠা, শিশুদের চোখের পাওয়ারের সমস্যা, বড়দের ছানি, চোখে আঘাতজনিত সমস্যা, অধ্যাপক ডা. মো. সালেহ আহমদচোখে লোহার টুকরা বা ময়লা পড়া, ডায়াবেটিসজনিত চোখে রক্তক্ষরণ বা কম দেখার সমস্যা নিয়ে রোগীরা বেশি আসেন। শিশুদের মোবাইল আসক্তির কারণে দৃষ্টিজনিত ত্রুটি বাড়ছে। দরিদ্র রোগীদের জন্য আমাদের এখানে নাম মাত্র খরচে ছানি অপারেশন করা হয়। দেশের বিভিন্ন জেলায় ক্যাম্প করে মানুষের চোখের চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে যে রোগীদের ছানি কিংবা চোখের অন্য সমস্যায় অপারেশন প্রয়োজন পড়ে তাদের এ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এই রোগীদের বিনামূল্যে থাকাখাওয়াসহ ছানি অপারেশন এবং যাতায়াতের ব্যবস্থা হাসপাতালের পক্ষ থেকে করা হয়। রোগীদের সন্তুষ্টিই আমাদের মূল লক্ষ্য। আমাদের এখানে বিশ্বমানের চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাই এখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর রোগীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায় না। আমরা গুরুত্ব দিয়েই প্রত্যেক রোগীর রোগ নির্ণয় করি, যথাযথ চিকিৎসা এবং ফলোআপ করার চেষ্টা করি। দরিদ্র রোগীদের ভর্তুকি দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়, যাতে কোনো রোগী ফিরে না যান। আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা- চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়ানো, হাসপাতালকে ইনস্টিটিউটে রূপান্তর করা যাতে এখান থেকে ভালো চক্ষু চিকিৎসক তৈরি হয়ে রোগীদের উন্নত সেবা দিতে পারেন।

Read more

যে ৪ মিনিট ইতিহাসের পাতায় তুলে দিয়েছিল ম্যারাডোনাকে

ফুটবল ইতিহাসে এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়। হাত দিয়ে গোল করা কিংবা মাঝমাঠ থেকে একা দৌড়ে পুরো প্রতিপক্ষ রক্ষণকে বোকা বানিয়ে গোল—এই দুই কাজই একই ম্যাচে করে দেখিয়েছিলেন ৬৫ বছর আগের আজকের এই দিনে জন্ম নেওয়া দিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ সালের ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে করা সেই দুই গোল দিয়েই ম্যারাডোনা অমরত্ব পেয়েছিলেন। সে ম্যাচের গল্পটাও নাটকীয়। বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার অ্যাওয়ে জার্সি ছিল গাঢ় নীল, কিন্তু মেক্সিকোর গরমে তা পরে খেলা কঠিন ছিল। কোচ কার্লোস বিলার্দো তাই খুঁজছিলেন হালকা রঙের জার্সি। তখনই ম্যারাডোনা এসে এক জার্সি হাতে নিয়ে বলেছিলেন, ‘বাহ, জার্সিটা সুন্দর, আমরা এটা পরেই ইংল্যান্ডকে হারাব।’ ব্যস! সেটাই হয়ে গেল ইংল্যান্ড ম্যাচের জার্সি। অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে কোনো গোল হয়নি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধেই ইতিহাস লিখলেন ম্যারাডোনা। প্রতিপক্ষের ভুলে পাওয়া বল তিনি মাথা দিয়ে হেড করার ভান করে বাঁহাতে ঠেলে দেন জালে। ফুটবল বিশ্ব তখন প্রথমবার দেখল ‘হ্যান্ড অফ গড’। সতীর্থরা প্রথমে উদযাপন করতে এগোয়নি। পরে ম্যারাডোনা নিজেই বলেছিলেন, ‘আরে এগোচ্ছো না কেন তোমরা? গোলটা বাতিল হয়ে যাবে তো!’ কিন্তু তিউনিসিয়ান রেফারি গোলটি দিয়ে দেন। ইংলিশরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ফকল্যান্ড যুদ্ধের কারণে ম্যাচটি ছিল মানসিক এক যুদ্ধ। মাঠেও ছিল আগুনে পরিবেশ। কিন্তু ম্যারাডোনা সেখানে তৈরি করলেন ফুটবল ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত। গোলের চার মিনিট পর তিনি করে বসলেন ‘শতাব্দীর সেরা গোল’। মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে নিজের অর্ধ থেকে দৌড় শুরু করেন। একে একে গ্যারি স্টিভেন্স, পিটার রেইড, টেরি বুচার, টেরি ফেনউইক—সবাইকে ছিটকে দেন। শেষে গোলরক্ষক পিটার শিলটনকেও ফাঁকি দিয়ে আলতো ছোঁয়ায় পাঠান বল জালে। দর্শকরা তখন উন্মত্ত উদযাপনে মেতে ওঠে। ইংলিশ ফরোয়ার্ড গ্যারি লিনেকার পরে বলেছিলেন, ‘আপনি ট্যাকল দিচ্ছেন, সে আপনার পায়ের নিচ দিয়ে বল বের করে নিয়ে যাচ্ছে, এমনভাবে বল নিয়ে উধাও হয়ে যাচ্ছিল, যেন তার সামনে কেউ নেই… এই বিষয়টা বিস্ময়জাগানিয়া ছিল। সেদিনই সম্ভবত কারো গোল দেখে আমার মনে হয়েছিল আমার একটা হাত তালি দেওয়া দরকার; তবে আমি তা করিনি, কারণ তাহলে বাড়িতে গেলে আমাকে ধ্বংস করে ফেলা হতো।’ চার মিনিটের ব্যবধানে সেই দুই গোল শুধু ম্যাচই বদলে দেয়নি, বদলে দিয়েছিল ফুটবল ইতিহাসও। একদিকে ‘হ্যান্ড অফ গড’—বিতর্কের প্রতীক, অন্যদিকে ‘গোল অফ দ্য সেঞ্চুরি’—ফুটবলের পরিপূর্ণ শিল্প। আর এই দুইয়ের মাঝখানে ডিয়েগো ম্যারাডোনা আলগোছে নাম লিখিয়ে ফেলেছিলেন ইতিহাসের পাতাতে। দিয়েগো ম্যারাডোনা

Read more

সামিরাকে বিয়েতে রাজি করাতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন সালমান!

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে এক অমর নাম সালমান শাহ। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে কোটি দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার আকস্মিক মৃত্যু এখনো রয়ে গেছে রহস্যে ঘেরা। তাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছেন অভিনেতার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। তার দাবি, সালমান শুধু আত্মহত্যা করেছেন তাই নয়, বিয়ের আগেও তিনি একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। এর মধ্যে একবার সামিরাকে বিয়েতে রাজি করানোর জন্যও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এই জনপ্রিয় নায়ক। ২০২৪ সালের সালমান শাহর জন্মদিন উপলক্ষে গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সামিরা জানান, ইমন (সালমান শাহ) মানসিকভাবে আত্মহত্যাপ্রবণ ছিল। আমাদের বিয়ের আগেই সে তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন- একবার মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে, একবার আমাকে বিয়েতে রাজি করানোর জন্য, আরেকবার অন্য এক ঘটনায়। সামিরার দাবি অনুযায়ী, এসব ঘটনার রেকর্ড মেট্রোপলিটন হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতালে রয়েছে। সালমান শাহ ও সামিরা হক ১৯৯২ সালে বিয়ে করেন। সাক্ষাৎকারে সামিরা আরও জানান, সালমানের শৈশব ও পারিবারিক জীবনে নানা মানসিক আঘাত ছিল, যা তার মনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। তিনি বলেন, ইমন অনেক কিছু দেখে বড় হয়েছে, যা ওর দেখার কথা ছিল না। সেই মানসিক চাপ থেকে ও কখনও বেরোতে পারেনি। এখন যেমন কাউন্সেলিং বা রিহ্যাবের সুযোগ আছে, তখন এসব ছিল না। তাই ওর ভেতরের কষ্টগুলো কেউ বুঝতে পারেনি। সম্প্রতি, প্রায় ২৯ বছর পর নতুন করে মামলার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক নীলা চৌধুরীর আবেদনের পর এই আদেশ দেন। সালমানের পরিবারের দাবি, পিবিআইয়ের আগের তদন্ত ছিল পক্ষপাতমূলক এবং অসম্পূর্ণ। প্রসঙ্গত, মাত্র ২৫ বছর বয়সে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর লাশ উদ্ধার করা হয়। এর পর থেকে পুলিশ, সিআইডি, র‌্যাব ও পিবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত চালালেও রহস্যের সমাধান হয়নি। নব্বইয়ের দশকে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’সহ পরপর হিট সিনেমা উপহার দিয়ে দেশের চলচ্চিত্রে রোমান্টিক হিরোর নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন সালমান শাহ। সালমান শাহ সামিরা হক

Read more

আজকের মুদ্রার রেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৫

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশের কোটি মানুষ আছেন প্রবাসে। বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে আজকের (৩০ অক্টোবর, ২০২৫) মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, বৃহস্পতিবার দেশের মুদ্রা বাজারে ডলার কেনার দাম ধরা হচ্ছে ১২২.২৪ টাকা। বিক্রির দাম ১২২.৩৪ টাকা। গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৩০ টাকা। ইউরো কেনার ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪১ টাকা ৭৮ পয়সা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে দাম ধরা হয়েছে ১৪১ টাকা ৯৫ পয়সা। মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।* মুদ্রা ক্রয় (টাকা) বিক্রয় (টাকা) ইউএস ডলার ১২২.২৪ ১২২.৩৪ পাউন্ড ১৬১.২৭ ১৬১.৪২ ইউরো ১৪১.৭৮ ১৪১.৯৫ Advertisement জাপানি ইয়েন ০.৮০ ০.৮১ অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮০.৫১ ৮০.৬৫ সিঙ্গাপুর ডলার ৯৪.১৮ ৯৪.৩৩ কানাডিয়ান ডলার ৮৭.৭০ ৮৭.৭৮ ইন্ডিয়ান রুপি ১.৩৯ ১.৩৯ সৌদি রিয়েল ৩২.৬৫ ৩২.৬৮ মুদ্রা রেট মুদ্রা দর বৈদেশিক মুদ্রা

Read more

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার এখতিয়ার এই সরকারের নেই: ফখরুল

জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, যেকোনো আদেশ রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরিত হতে হবে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইনি ভিত্তি দেওয়ার এখতিয়ার নেই। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার রাতের দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে এ সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব এবং সুপারিশে প্রতীয়মান হয় দীর্ঘ এক বছরব্যাপী সংস্কার কমিশন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলসমূহের দীর্ঘ ধারাবাহিক আলোচনা ছিল অর্থহীন, অর্থ ও সময়ের অপচয়, প্রহসনমূলক এবং জাতির সঙ্গে প্রতারণা। গণতন্ত্রের রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্ন মত থাকবে এটাই স্বাভাবিক।’ তিনি অভিযোগ করেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবনা ও সুপারিশগুলো একপাক্ষিক এবং জোরপূর্বক জাতির ওপর চাপানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘যেসব দফায় সবাই সম্মত হয়েছিল, তার মধ্যে কিছু দফাকে অগোচোরেই পরিবর্তন করা হয়েছে।’ ফখরুল আরও বলেন, দফা অনুযায়ী প্রস্তাবনাগুলো ২৭০ দিনের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে, তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিপরীত। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ ও মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি মির্জা ফখরুল

Read more

শিগগিরই ২০০ আসনে বিএনপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা, আলোচনায় যারা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দুই শত আসনের একক প্রার্থী চূড়ান্ত করছে বিএনপি। এরই অংশ হিসাবে গত রোব ও সোমবার সহস্রাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন দলটির হাইকমান্ড। ঐক্যবদ্ধ থেকে নির্বাচনি গণসংযোগে নেমেছেন তারা। ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন হাইকমান্ডের বার্তা। সূত মতে, বুধবার রাতে গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। এতে একক প্রার্থী নির্ধারণ করা নিয়ে আলোচনা হয়। দলীয় প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, তারা প্রাথমিকভাবে অন্তত ২০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করছেন। বাকি আসনগুলোর মনোনয়ন নিয়েও কাজ চলছে। এর মধ্যে যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী ও জোট শরিকদের আসনও রয়েছে। তবে তফশিল ঘোষণার পর একক প্রার্থীর নাম চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হবে। এর আগে মনোনয়ন ফরম বিক্রি-জমাসহ সব প্রক্রিয়া শেষ হবে। তারা আরও জানান, এখন যাদের প্রাথমিকভাবে একক প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হবে, তাদের কর্মকাণ্ডও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এসব প্রার্থীর মধ্যে যদি কেউ নিজ আসনে সক্রিয়ভাবে কাজ না করেন বা দলীয় নির্দেশনা মেনে না চলেন তাহলে তাদের বাদ দিয়ে নতুন করে ফের একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। গুলশানে মতবিনিময়ে বিএনপির সহস্রাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী, তারা হলেন- চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) : উত্তর জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন, উপজেলার সাবেক আহ্বায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, উত্তর জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আমিন চেয়ারম্যান। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) : কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, উত্তর জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সরওয়ার আলমগীর, উপজেলা আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) মো. আজিম উল্লাহ বাহার, উপজেলার সাবেক সভাপতি ছালাউদ্দিন ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সাল মাহমুদ ফয়জী। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) : কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তারিকুল আলম তেনজিং, উত্তর জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিল্টন, সাবেক এমপি মোস্তফা কামাল পাশা, উপজেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবু তাহের ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল পাশা বাবু। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) : কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আসলাম চৌধুরী ও উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কাজী সালাউদ্দিন। চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) : কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এসএম ফজলুল হক। চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) : কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান (পদ স্থগিত) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার ও জসিম উদ্দিন সিকদার। চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) : বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, উত্তর জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ইউনুছ চৌধুরী, উপজেলা আহ্বায়ক অধ্যাপক কুতুব উদ্দিন বাহার, উপজেলা সদস্য সচিব আবু আহমেদ হাসনাত। চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) : চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাবেক আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান ও চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ। চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শামসুল আলম, এসএম সাইফুল আলম ও আহমেদ উল আলম চৌধুরী রাসেল। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) : দক্ষিণ জেলার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক এনাম, দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক এম ইদ্রিস মিয়া, সাবেক এমপি গাজী শাহজাহান জুয়েল, বিএনপি নেতা সৈয়দ শাদাত আহম্মেদ। চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) : দক্ষিণ জেলার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, সাবেক এমপি সরওয়ার জামাল নিজাম, জেলা সদস্য সচিব লায়ন মো. হেলাল উদ্দিন, দক্ষিণ জেলার নেতা মোস্তাফিজুর রহমান, বিএনপি নেতা এসএম মামুন মিয়া, জেলা যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান। চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) : নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক ডা. মহসিন জিল্লুর করিম, বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম রাহী ও নুরুল আনোয়ার। চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) : দক্ষিণ জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, লোহাগাড়া উপজেলার সাবেক আহ্বায়ক নাজমুল মোস্তফা আমিন, দক্ষিণ জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শেখ মো. মহিউদ্দিন, সাতকানিয়া উপজেলার সাবেক আহ্বায়ক জামাল হোসেন। চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) : দক্ষিণ জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, দক্ষিণ জেলার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম হোসাইনী, দক্ষিণ জেলার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত আলী, দক্ষিণ জেলার নেতা অ্যাডভোকেট ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, দক্ষিণ জেলার সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান আশিক। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) : স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ও তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমেদ। কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) : নির্বাহী কমিটির সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহাফুজ উল্লাহ ফরিদ, জেলা সহসভাপতি এটিএম নুরুল বশর চৌধুরী ও মহেশখালী উপজেলার আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক। কক্সবাজার-৩ (রামু-সদর) : কেন্দ্রীয় মৎস্যবিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য শহিদুজ্জামান। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) : জেলা সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, উখিয়া উপজেলা সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী ও জেলার অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ। আরও পড়ুন ঐকমত্য কমিশন কার্যত ‘অনৈক্য কমিশন’ হয়ে গেছে: টুকু ঐকমত্য কমিশন কার্যত ‘অনৈক্য কমিশন’ হয়ে গেছে: টুকু রাঙামাটি : নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য মনি স্বপন দেওয়ান, জেলা সভাপতি দীপেন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মনীষ দেওয়ান। খাগড়াছড়ি : জেলা সভাপতি ওয়াদুদ ভুঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার। বান্দরবান : কেন্দ্রীয় উপজাতিবিষয়ক সম্পাদক মিসেস ম্যাম্যা চিং, জেলা আহ্বায়ক সাচিং প্রু জেরি ও সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা। বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) : চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহিরুদ্দিন স্বপন। কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান। জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অ্যাড. কামরুল ইসলাম সজল। বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) : জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সরফুদ্দিন সরদার সান্টু ও মো. দুলাল হোসেন, সহ-বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক রওনাকুল ইসলাম টিপু, সাবেক ছাত্রদল নেতা সাইফ মাহমুদ জুয়েল, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আকতার হোসেন। বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) : স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি অ্যাড. জয়নাল আবেদিন, মুলাদী উপজেলার সাবেক সভাপতি আব্দুস সাত্তার খান। বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) : স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেসবাহউদ্দিন ফরহাদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের অ্যাড. হেলালউদ্দিন, সাবেক যুবদল নেতা আব্দুল খালেক। বরিশাল-৫ (বরিশাল সদর) : চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মজিবর রহমান সরোয়ার, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমতউল্লাহ, মহানগর আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, দক্ষিণ জেলা সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন, মহানগর ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা নাসরিন। বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) : দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক আবুল হোসেন খান, দক্ষিণ জেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নজরুল ইসলাম রাজন, বিএনপি নেতা ডা. শহিদ। ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) : ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, সাবেক ছাত্রদল নেতা গোলাম আজম সৈকত, নিউইয়র্ক দক্ষিণ সভাপতি সেলিম রেজা। ঝালকাঠি-২ (নলছিটি-ঝালকাঠি) : কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, জেলা আহ্বায়ক অ্যাড. শাহদাত হোসেন, বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার জাকারিয়া। পিরোজপুর-১ (সদর-জিয়ানগর-নাজিরপুর) : জেলা আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, জেলা সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এলিজা জামান, জেলা সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত, পিরোজপুর-২ (ভাণ্ডারিয়া-কাউখালী-স্বরূপকাঠি) : কেন্দ্রীয় নেতা মাহমুদ হোসাইন ভিপি মাহমুদ, স্বরূপকাঠির সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম, ভাণ্ডারিয়া সভাপতি সুমন মঞ্জুর, বিএনপি, কাউখালী সভাপতি আহসান কবির, স্বরূপকাঠি সাবেক সদস্য সচিব আলবেরুনী সৈকত। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) : উপজেলা সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন দুলাল, মধ্যপ্রাচ্য সহসাংগঠনিক সম্পাদক এআরএম মামুন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কর্নেল (অব.) শাহজাহান মিলন, উপজেলা সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির। পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) : জেলা সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক পৌর মেয়র মোস্তাক আহম্মেদ পিনু, পটুয়াখালী-২ (বাউফল) : কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম তালুকদার, বাউফল সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার। পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) : জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন। পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) : কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির। ভোলা-১ (সদর) : জেলা আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হায়দার আলী লেনিন, জেলা সদস্য সচিব রাইসুল আলম, জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক শফিউর রহমান কিরন, ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) : জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম, যুবদল নেতা শহিদুল্লাহ তালুকদার। ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) : স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজহউদ্দিন। ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) : যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিমউদ্দিন আলম। বরগুনা-১ (সদর-আমতলী-তালতলী) : জেলা আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মতিউর রহমান তালুকদার, কেন্দ্রীয় নেতা ফিরোজ উজ জামান মামুন, জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির শাহিন। বরগুনা-২ (বামনা-পাথরঘাটা-বেতাগী) : কেন্দ্রীয় সহসভাপতি নুরুল ইসলাম মনি। কুমিল্লা-১ : স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) : কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, উত্তর জেলা আহ্বায়ক মো. আক্তারুজ্জামান সরকার, সাবেক সচিব এমএ মতিন খান, জিয়া পরিষদ যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মনোয়ার সরকার। কুমিল্লা-৩ : কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) : সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি, উত্তর জেলার সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সি, সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুল আউয়াল। কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) : ব্রাহ্মণপাড়ার সভাপতি হাজী জসিম উদ্দিন, সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন, বুড়িচং বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান। কুমিল্লা-৬ : চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিন, বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী। কুমিল্লা-৭ : উপজেলা আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম শাওন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান জাহিন, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক কাজী সাখাওয়াত হোসেন। কুমিল্লা-৮ : দক্ষিণ জেলার সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু। কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) : কেন্দ্রীয় শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, সাবেক ডাকসু সদস্য ড. রশীদ আহমেদ হোসাইনী, নেত্রী সামিরা আজিম দোলা, সাবেক সচিব জাহাঙ্গীর আলম। কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) : সাবেক সংসদ-সদস্য আব্দুল গফুর ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) : উপজেলা সভাপতি মো. কামরুল হুদা, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মাখদুম মাসুম বিল্লাহ। ফরিদপুর-০১ (বোয়ালমারী, মধুখালী, আলফাডাঙ্গা) : কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, বোয়ালমারীর সহসভাপতি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু। ফরিদপুর-০২ (নগরকান্দা, সালথা) : কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। ফরিদপুর-০৩ (ফরিদপুর সদর) : কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদারেছ আলী ইছা, কেন্দ্রীয় বিএনপির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া। ফরিদপুর-০৪ (চরভদ্রাসন, সদরপুর, ভাঙ্গা) : কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল। শরীয়তপুর-০১ (পালং, জাজিরা) : জেলা সাধারণ সম্পাদক সরদার এ কে এম নাছির উদ্দিন কালু, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহাম্মেদ আসলাম, জেলার সাবেক অর্থ সম্পাদক মজিবুর রহমান মাদবর। শরীয়তপুর-০২ (নড়িয়া, শখিপুর) : জেলা সভাপতি শফিকুর রহমান কিরন, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি কর্নেল (অব.) এস এম ফয়সাল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন আহাম্মেদ জিল্টু। শরীয়তপুর-০৩ (ভেদরগঞ্জ, ডামড্যা ও গোসাইরহাট) : ভাইস চেয়ারম্যান মিয়া নুর উদ্দিন অপু। রাজবাড়ী-০১ (সদর, গোয়ালন্দ) : কেন্দ্রীয় সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আসলাম মিয়া। রাজবাড়ী-০২ (পাংশা, কালুখালি, বালিয়াকান্দি) : নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিরুল হক সাবু, জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হারুন। মাদারীপুর-০১ (শিবচর) : উপজেলা সাবেক আহ্বায়ক কামাল জামান মোল্লা, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. রোকন উদ্দিন মিয়া, জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু, উপজেলা সাবেক সভাপতি নাদিরা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী, উপজেলা সদস্য সচিব মো. সোহেল রানা, উপজেলার সাবেক সভাপতি আবু জাফর চৌধুরী। মাদারীপুর-০২ (সদর, রাজৈর) : জেলার সদস্য সচিব জাহান্দার আলী জাহান, বিএনপি নেতা মিল্টন বৈদ্য ও হেলেন জেরিন খান। মাদারীপুর-০৩ (কালকিনি, ডাসার) : ফরিদপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাশুকুর রহমান মাশুক, কেন্দ্রীয় গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। গোপালগঞ্জ-০১ : কেন্দ্রীয় সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন মেজবাহ, ফরিদপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম। গোপালগঞ্জ-০২ : জেলার সাবেক সভাপতি এম.এইচ খান মঞ্জু, জেলার সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডা. কে এম বাবর। গোপালগঞ্জ-০৩ : কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী। ঠাকুরগাঁও-১ : একক প্রার্থী হিসাবে রয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঠাকুরগাঁও-২ : ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. আব্দুস সালাম ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জেট মর্তুজা চৌধুরী তুলা।ঠাকুরগাঁও-৩ : পীরগঞ্জ সভাপতি জাহিদুর রহমান জাহিদ, পীরগঞ্জ সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম জিয়া ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আহমেদ। নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) : কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যাহ বুলু, জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন, উপজেলার সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি শাহ আবদুল্ল্যাহ আল বাকী, কেন্দ্রীয় নেতা মাজহারুল ইসলাম দোলন। নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট ও সদরের একাংশ) : জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফখরুল ইসলাম, উপজেলার সাবেক সদস্য হাসনা জসীম উদদীন মওদুদ, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-পল্লি উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এজেডএম গোলাম হায়দার বিএসসি। নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) : সাবেক এমপি প্রকৌশলী ফজলুল আজিম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, জেলা কমিটির সদস্য প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজিব, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শিল্পবিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাওয়াজ। রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) : মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিন, শিল্পপতি সুলতানুল ইসলাম তারেক, ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন ও জিয়া পরিষদ নেতা অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিপ্লব। রাজশাহী-২ (মহানগর) : চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ও মহানগরের সাবেক আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশা। রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) : মহানগর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রায়হানুল আলম রায়হান ও মোহনপুর উপজেলা সাবেক সভাপতি আব্দুস সামাদ। রাজশাহী-৪ (বাগমারা) : বাগমারা উপজেলা আহ্বায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান, সদস্য সচিব অধ্যাপক কামাল হোসেন ও জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু। রাজশাহী-৫ (দুর্গাপুর-পুঠিয়া) : পুঠিয়ার আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক মাহমুদা হাবিবা, পুঠিয়ার সাবেক সহসভাপতি ইসফা খায়রুল হক, সাবেক সংসদ-সদস্য নাদিম মোস্তফার ছেলে জুলকার নাঈম মোস্তফা ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা। রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) : জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, জেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল ও বাঘার সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান মানিক। খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) : জেলার সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান ও সাবেক ছাত্রদল নেতা জিয়াউর রহমান পাপুল। খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) : সাবেক এমপি ও মহানগরের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বর্তমান নগর সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। খুলনা-৩ (খালিশপুর-দৌলতপুর-খানজাহান আলী) : একমাত্র প্রার্থী হিসাবে বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। খুলনা-৪ (তেরখাদা-দিঘলিয়া-রূপসা) : কেন্দ্রীয় তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি পারভেজ মল্লিক। খুলনা-৫ (ফুলতলা-ডুমুরিয়া) : সাবেক এমপি আলী আজগর লবী, শফি মোহাম্মদ খান ও যুবদল নেতা ইবাদুল হক রুবায়েদ। খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) : জেলা আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক মোমরেজুল ইসলাম, পাইকগাছার সভাপতি আবদুল মজিদ, সাংবাদিক আনোয়ার আলদীন এবং আমিরুল ইসলাম কাগজী। সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) : কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর-দেবহাটা) : জেলা আহ্বায়ক রহমত উল্লাহ পলাশ, সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী, সাবেক সদস্য সচিব ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ (পদ স্থগিত), সাবেক পৌর মেয়র ও জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক তাসকিন আহমেদ চিশতী। সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) : জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. শহিদুল আলম, কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিন ও আয়ুব হোসেন মুকুল। সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) : জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মনিরুজ্জামান, শ্যামনগরের সাবেক আহ্বায়ক মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ। বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, মোল্লাহাট, বাগেরহাট উপজেলা) : সাবেক এমপি শেখ মুজিবুর রহমান, জেলার সাবেক সভাপতি এমএ সালাম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, জেলার আহ্বায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, ব্যারিস্টার জাকির হোসেন, প্রকৌশলী মাসুদ রানা, রফিকুল ইসলাম জগলু। বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট, রামপাল, মোংলা উপজেলা) : কেন্দ্রীয় নেতা শামিমুর রহমান, আব্দুল হালিম খোকন, লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। বাগেরহাট-৩ (কচুয়া, মোড়লগঞ্জ, শরণখোলা) : খান মনিরুল ইসলাম মনি, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, কেন্দ্রীয় নেতা এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, ড. মনিরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট নিপা আক্তার। নড়াইল-১ (কালিয়া-সদর আংশিক) : জেলা সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, জিয়া পরিষদের উপদেষ্টা ডা. হায়দার পারভেজ, বিএনপি নেতা অধ্যাপক (অব.) নাগিব হোসেন, বিএনপি নেতা মো. সাজ্জাদুর রহমান সুজা, সাবেক এমপি ধীরেন্দ্রনাথ সাহার ছেলে সুরেশ সাহা আনন্দ। নড়াইল-২ (লোহাগড়া-সদর আংশিক) : জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম, জেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়া রিজভী জর্জ। ঝিনাইদহ-১ : সাবেক এমপি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল ওহাব। কৃষক দল জেলা সভাপতি উসমান গনি, কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) বাবু জয়ন্ত কুমার কুন্ডু। ঝিনাইদহ-২ : জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ, জেলা সদস্য অ্যাডভোকেট এসএম মশিউর রহমান, ড্যাব নেতা ডা. মো. ইব্রাহীম রহমান রুমি (বাবু), জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর রবিউল ইসলাম লাবলু, জেলা সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা। ঝিনাইদহ-৩ : জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, মহেশপুরের সভাপতি মেহেদী হাসান রনি, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মমিনুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সহতথ্যবিষয়ক সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, কণ্ঠশিল্পী মনির খান। ঝিনাইদহ-৪ : কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, কালিগঞ্জের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম, জেলা উপদেষ্টা মুর্শিদা জামান পপি। দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) : বীরগঞ্জের সভাপতি মনজুরুল ইসলাম মনজু, কাহারোল উপজেলা সদস্য মামুনুর রশিদ মামুন, বীরগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ধলু। দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) : জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ন ম বজলুর রশিদ কালু, বোচাগঞ্জের সভাপতি সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক ও শিক্ষক নেতা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম। দিনাজপুর-৩ (সদর) : জেলা সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কিমিটির সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা সহসভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক (স্থগিত) বখতিয়ার আহমেদ কচি, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসনা হেনা হীরা। দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) : চিরিরবন্দরের যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান মিয়া, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম। দিনাজপুর-৫ (ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর) : পার্বতীপুরের সভাপতি এজেডএম রেজওয়ানুল হক, যুক্তরাজ্য সহসভাপতি ব্যারিস্টার একেএম কামরুজ্জামান। দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-হাকিমপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট) : কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। কুড়িগ্রাম-১ : কেন্দ্রীয় সদস্য সাইফুর রহমান রানা, ড্যাবের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ডা. ইউনুস আলী। কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ি) : জেলা সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু, সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি মাহবুব রহমান। কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) : চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা তাসভীরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক। কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) : চিলমারীর আহ্বায়ক আব্দুল বারী, জেলা সদস্য আজিজুর রহমান, রাজিবপুরের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মমতাজ হোসেন লিপি। গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) : সুন্দরগঞ্জের আহ্বায়ক বাবুল আহম্মেদ, জেলা সহসভাপতি ডা. মো. জিয়া খন্দকার ও মাজহারুল ইসলাম। গাইবান্ধা-২ (সদর) : কেন্দ্রীয় নেতা আনিসুজ্জামান খান বাবু, জেলা সহসভাপতি আব্দুল আউয়াল আরজু, সাবেক সচিব আমিনুল ইসলাম। গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ি) : জেলা সভাপতি ডা. ময়নুল হাসান সাদিক। গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) : কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, গোবিন্দগঞ্জের সদস্য ফারুক কবীর আহম্মেদ, আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানেয়ার হোসেন দিপু, উপজেলা সদস্য ওবায়েদুল সরকার। গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) : জেলা সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল, সহসভাপতি ফারুক আলম সরকার, সদস্য নাজেমুল ইসলাম নয়ন ও সাঘাটার সদস্য সোহাগ খান। কুষ্টিয়া-৪ (দৌলতপুর) : দৌলপুরের সভাপতি রেজা আহম্মেদ বাচ্চু, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহবায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল, দৌলতপুরের সাবেক সভাপতি আলতাফ হোসেন। কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা) : সাবেক এমপি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা সাইফুল ইসলাম। কুষ্টিয়া-৩ (সদর) : জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, জেলা আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহম্মেদ, সদস্যসচিব জাকির হোসেন সরকার। কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) : সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী, জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদি, কুমারখালীর সভাপতি নুরুল ইসলাম আনসার। মাগুরা-১ : জেলা আহ্বায়ক আলি আহমেদ বিশ্বাস, সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব কিশোর, কেন্দ্রীয় সহত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলি। মাগুরা-২ : কেন্দ্রীয় সহসভাপতি নিতাই রায় চৌধুরী, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন। মুন্সীগঞ্জ-১ (শ্রীনগর-সিরাজদিখান) : শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মীর সরফত আলী সপু, মমিন আলী, মো. ফরহাদ হোসেন। মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গিবাড়ী) : মিজানুর রহমান সিনহা, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ। মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) : মো. মহিউদ্দিন, কামরুজ্জামান রতন, আ ক ম মোজাম্মেল হক, মোশারফ হোসেন পুস্তি। নেত্রকোনা-১ : কেন্দ্রীয় কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নেত্রকোনা-২ : জেলা সভাপতি ডা. মো. আনোয়ারুল হক, সাবেক এমপি আশরাফ উদ্দিন খান, কেন্দ্রীয় সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক এটিএম আব্দুল বারী ড্যানী, কেন্দ্রীয় সদস্য ড. আরিফা জেসমিন নাহীন। নেত্রকোনা-৩ : জেলা সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম হেলালী, সাবেক সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন ভুঁইয়া, আমরা বিএনপি কমিটির উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মুস্তাফা ই জামান সেলিম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ আলমগীর খসরু, জেলার সাবেক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য রোটারিয়ান এম নাজমুল হাসান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হাসান বিন শফিক সোহাগ, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক নেতা মেজর (অব.) সিদ্দিকুর রহমান নেত্রকোনা-৪ : সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। নেত্রকোনা-৫ : জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের তালুকদার, উপজেলা সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ এমরান, সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী রাবেয়া আলী, উপজেলা আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদার, যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। পাবনা-১ : সাঁথিয়া আহ্বায়ক খায়রুন্নাহার খানম মিরু, সদস্য সচিব মো. সালাউদ্দিন খান। পাবনা-২ : কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব। পাবনা-৩ : সাবেক এমপি কেএম আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক পৌরমেয়র হাসাদুল ইসলাম হীরা ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন। পাবনা-৪ : চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, ঈশ্বরদীর সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু, সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম সর্দার। পাবনা-৫ (সদর) : চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) : কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান। লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) : জেলা সহসভাপতি রোকন উদ্দিন বাবুল, কালীগঞ্জ আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম ও রংপুর বিভাগ জিয়া পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ড. রোকনুজ্জামান রোকন। লালমনিরহাট-৩ (সদর) : আসন থেকে সাবেক উপমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু। রংপুর-১ (গংগাচড়া-সদর আংশিক) : গংগাচড়া সভাপতি চাঁদ সরকার, উপজেলার সবেক সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান মাবু, বহিষ্কৃত নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোর্কার হোসেন সুজন। রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) : বদরগঞ্জ সভাপতি পরিতোষ চক্রবর্তী, বদরগঞ্জ পৌর কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার, বদরগঞ্জ সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ও পৌর সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল। রংপুর-৩ (সদর) : কেন্দ্রীয় ও রংপুর মহানগর কমিটির সদস্য রীটা রহমান, জেলা আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু, মহানগর সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ-উন-নবী ডন ও মহানগর সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম মিজু। রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) : জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান পীরগাছা আলহাজ আফসার আলী, কাউনিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমদাদুল হক ভরসা, পীরগাছা উপজেলা কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাংগা। রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) : মিঠাপুকুর সভাপতি গোলাম রব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক মোহাহারুল ইসলাম নিক্সন পাইকার। রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) : জেলা আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও জাতীয়তাবাদী অটোরিকশা ও ভ্যান শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আসফাকুল ইসলাম মনু। শেরপুর-১ (শেরপুর সদর) : সদর উপজেলা সভাপতি হযরত আলী ও তার মেয়ে যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা, জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। শেরপুর-২ (নকলা, নালিতাবাড়ী) : জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একে এম মোখলেসুর রহমান রিপন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান। শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী) : জেলার সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য একেএম আমিনুল হক ও জেলা বিএনপির সদস্য মেজর (অব.) মাহমুদুল হাসান। নওগাঁ-১ (নিয়ামপুর-পোরশা-সাপাহার) : নিয়ামতপুর থানা সভাপতি ডা. মো. ছালেক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শাহ খালেদ হাসান চৌধুরী পাহিন, যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মাহমুদুল সালেহীন। নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) : কেন্দ্রীয় কৃষিবিষয়ক সম্পাদক মো. শামসুজ্জোহা খান, জেলার সাবেক সহসভাপতি খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরী। নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) : সাবেক এমপি পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি। কেন্দ্রীয় কৃষক দল যুগ্ম সম্পাদক ফজলে হুদা বাবুল, মহাদেবপুর থানা সভাপতি রবিউল ইসলাম বুলেট। নওগাঁ-৪ (মান্দা) : কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এম এ মতিন, মান্দা থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. ইকরামুল বারী টিপু। নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) : জেলার সাবেক সভাপতি নজমুল হক সনি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু, জেলা সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক নান্নু, সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন, সাবেক সদস্য সচিব মো. বায়েজিদ হোসেন পলাশ, সাবেক ভিপি নওগাঁ সরকারি কলেজ মো. মাহবুবুর রহমান ডাবলু, নওগাঁ পৌর সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান। নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) : আত্রাই থানা সভাপতি এসএম রেজাউল ইসলাম রেজু, কেন্দ্রীয় তাঁতীদল যুগ্ম আহ্বায়ক এছাহক আলী। বিএনপি

Read more

ঐকমত্য কমিশন কার্যত ‘অনৈক্য কমিশন’ হয়ে গেছে: টুকু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অন্যতম প্রধান স্টেকহোল্ডার। অথচ বিএনপির দেওয়া প্রস্তাবগুলোর কোনোটি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং দলটি যেগুলোর বিরোধিতা করেছে, কমিশনের চূড়ান্ত প্রস্তাবে সেগুলোকেই রাখা হয়েছে। ফলে কমিশন এখন কার্যত ‘অনৈক্য কমিশন’-এ পরিণত হয়েছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশমালা মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দিয়েছে। কিন্তু ঐ সুপারিশে বিএনপির মতামত ও প্রস্তাব উপেক্ষা করা হয়েছে। এমনকি বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ যুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করা হয়নি। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দলটি। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি মনে করছে, ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মতামতের প্রতিফলন স্পষ্ট, যা সরকারের অবস্থানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। দলটির অভিমত, সরকার ও ঐকমত্য কমিশন মিলে বিএনপিকে প্রক্রিয়া থেকে পরিকল্পিতভাবে দূরে সরিয়ে রাখছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, এ বিষয়ে শিগগিরই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করবে। পাশাপাশি সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াও জানাবে দলটি। ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, আগামী সংসদ নিয়মিত কাজের পাশাপাশি প্রথম ২৭০ দিন (৯ মাস) ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ হিসেবে কাজ করবে। এই সময়ে গণভোটে পাস হওয়া প্রস্তাবগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। তবে ২৭০ দিনের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন না হলে প্রস্তাবগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারা এই প্রস্তাবকে পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের ‘লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডার (এলএফও)’ এবং আইয়ুব খানের ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাদের মতে, কমিশনের প্রস্তাবে ঠিক একইভাবে কিছু দলের মতামত জাতির ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যা জনগণ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা। স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ১৭ অক্টোবর ২৫টি রাজনৈতিক দল যে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) কমিশনের দেওয়া সুপারিশের সঙ্গে তার কোনো মিল নেই। আমরা মনে করি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করাই এর মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রেফারিকে আমরা কখনো গোল দিতে দেখিনি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, ঐকমত্য কমিশন, সরকার ও আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দল একই পক্ষ হয়ে গেছে। বিএনপি নেতাদের অভিমত, ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রম চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে ঐক্যের বদলে বিভাজন সৃষ্টি করছে, যা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি হতে পারে। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিএনপি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সংবিধান

Read more

হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিরুদ্ধে ৭০ শতাংশ ফিলিস্তিনি

ফিলিস্তিনিদের একটি বিশাল অংশ হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিরোধিতা করেছেন। একইসাথে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ঘটাবে কি না, সে বিষয়েও তাদের গভীর সংশয় রয়েছে। প্যালেস্টাইন সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সার্ভে রিসার্চ (পিসিপিএসআর) অধিকৃত পশ্চিমতীর ও গাজা উপত্যকাজুড়ে জরিপ চালিয়েছে। জরিপটি ২২ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে করা হয় এবং মঙ্গলবার এর ফলাফল প্রকাশ করা হয়। জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৭০ শতাংশ ফিলিস্তিনি বলেছেন, তারা হামাসের নিরস্ত্রীকরণের তীব্র বিরোধিতা করেন। এমনকি এর কারণে যদি ইসরাইল আবারো আক্রমণ শুরু করে, তবুও তারা তাদের অবস্থান বদলাবে না। তবে অধিকৃত পশ্চিমতীরের বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিরোধিতা করেছেন। সেখানকার প্রায় ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, তারা চান হামাসের সশস্ত্র শাখা তাদের অস্ত্র ধরে রাখুক। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) অধীনে পশ্চিমতীর পরিচালিত হয়। সেখানে হামাসের প্রতিদ্বন্দ্বী ফাতাহের আধিপত্য রয়েছে। অপরদিকে দুই বছর ধরে ইসরাইলি হামলায় বিপর্যস্ত গাজার ৫৫ শতাংশ বাসিন্দা হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিরোধিতা করেছেন। জরিপটিতে অংশ নিয়েছেন ১২০০ জন। এর মধ্যে অধিকৃত পশ্চিমতীরের ৭৬০ জন এবং গাজার ৪৪০ জন রয়েছেন। জরিপটি সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ত্রুটির মার্জিন ৩.৫ শতাংশ। হামাসের অস্ত্র ধরে রাখার প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি গাজায় ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে গভীর সংশয় দেখা গেছে। ৬২ শতাংশ ফিলিস্তিনি মনে করেন না যে ট্রাম্পের পরিকল্পনা পুরোপুরিভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সফল হবে। অধিকৃত পশ্চিমতীরে এই সংশয়টা বেশি। সেখানকার ৬৭ শতাংশ উত্তরদাতা এই পরিকল্পনার প্রতি সন্দিহান। আর গাজায় এই সংখ্যাটা ৫৪ শতাংশ। সূত্র : মিডল ইস্ট আই

Read more

আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। দলটির চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। জানা গেছে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উঠে আসা সিদ্ধান্ত এবং দেশের সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলবেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।

Read more

সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান

tarique zia

তারেক রহমান

মহাসচিব

tarique zia

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বেগম জিয়া টুইটারে

বিএনপি টুইটারে

বিএনপি ফেসবুকে

বিএনপি ইউটিউবে

ভিজিটর

8753861
Today
Yesterday
This Month
All days
1606
0
1606
8753861

Your IP: 216.73.216.59

নামাজের সময়সূচী

ওয়াক্ত শুরু জামাত
ফজর ৫-০৬ ৫-৪৫
জোহর ১২-১৪ ১-১৫
আসর ৪-২৩ ৪-৪৫
মাগরিব ৬-০৬ ৬-১১
এশা ৭-১৯ ৮-০০

ফেসবুকে আমরা

সর্বশেষ সংবাদ