Sunday, 30 November 2025
November 2025
25 November 2025
৬৫ জনকে সুখবর দিল বিএনপি
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Tuesday, 25 November 2025 13:44
- বিভাগঃ জাতীয়
জাতীয় নির্বাচনের ৩ মাস আগে ৬৫ জন নেতা-কর্মীকে সুখবর দিয়েছে বিএনপি। নানা সময়ে তাদের ওপরে নেমে আসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে এবার।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি গত রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দলীয় সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় বহিষ্কার ও স্থগিত হওয়া বেশ কয়েকজন নেতার শাস্তি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তারা সবাই আবেদন করেছিলেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে তাদের বহিষ্কার ও স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে।
এই ৬৫ জন হলেন— কুষ্টিয়া জেলাধীন ভেড়ামারা উপজেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোছা. ইন্দোনেশিয়া সিটু; নরসিংদী জেলাধীন আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আব্দুর কাইয়ুম সরকার; সুনামগঞ্জ জেলাধীন জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল্লাহ আল-মামুন, ধর্মপাশা উপজেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. সাইফুল ইসলাম চৌধুরী কামাল, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোহন মিয়া বাচ্চু; মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. দেওয়ার হোসেন, হবিগঞ্জ জেলাধীন নবীগঞ্জ পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আব্দুল আলীম ইয়াছিন, নবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন অরুয়াইল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. ইয়াকুব, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক মো. আব্দুর রকিব তুহিন; রাজশাহী জেলাধীন বাঘা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. কামাল হোসেন, রাজশাহী জেলাধীন বাঘা উপজেলা বিএনপি সাবেক সদস্য মোসাঃ ফারহানা দিল আফরোজ রুমি; গাজীপুর জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক এস এম আবুল কালাম আজাদ; পটুয়াখালী জেলাধীন মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন; কিশোরগঞ্জ জেলাধীন ভৈরব উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আল-মামুন; বরগুনা জেলাধীন সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান রনি, বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সানাউল্লাহ সানি, তালতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. জালাল উদ্দিন ফকির; ঝিনাইদহ জেলাধীন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য কাজী আশরাফুল ইসলাম, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. মো. নুরুল ইসলাম; দিনাজপুর জেলাধীন সেতাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সুয়েল রানা, ফেনী জেলাধীন ফুলগাজী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দীন মজুমদার; নরসিংদী জেলাধীন পলাশ উপজেলার অন্তর্গত ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য এম এ কাইয়ুম, শেরপুর জেলাধীন শ্রীবর্দী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. জুবাইদুল ইসলাম রাজন, ভেলুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল করিম, খুলনা জেলা তাঁতী দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মিন্টু, ঝালকাঠি জেলাধীন কাঠালিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহা: তরিকুল ইসলাম আকন, নীলফামারী জেলাধীন ডোমার উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মমিনুর রহমান, ডোমার উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মমিনুর রহমান, লালমনিরহাট জেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহবায়ক মোছা. লতিফা আক্তার, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কোহিনুর আক্তার কাকলি, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সেলিম খান, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. বিল্লাল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. শাহ আলম মজুমদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ, সাবেক সদস্য মো. নাসির উদ্দিন, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা দলের সহ-নারী বিষয়ক সম্পাদক হালিমা আক্তার; ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন সরাইল উপজেলার অন্তর্গত শাহজাহদপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. দুলাল আহমেদ; রাজশাহী মহানগরের বোয়ালিয়া থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলিফ আল-মাহমুদ লুকেন, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. রনি হোসেন রুহুল, নওগাঁ জেলাধীন মান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মনোজিৎ কুমার সরকার; নেত্রকোনা জেলাধীন সদর উপজেলার অন্তর্গত রৌহানী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাতেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. মাহবুব কায়সার, খুলনা জেলাধীন কয়রা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল, নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এম জাহাঙ্গীর হোসেন ভূইয়া, সোনারগাঁও উপজেলার সাবেক সদস্য এম জাহাঙ্গীর হোসেন ভূইয়া; ঢাকা জেলাধীন দোহার থানা বিএনপির সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জাফর ইকবাল জাহিদ; মানিকগঞ্জ জেলাধীন হরিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. মোশারফ হোসেন মুসা, গাজীপুর মহানগরের মেট্রো থানা বিএনপির সদস্য সুলতানা রাজিয়া, সিরাজগঞ্জ জেলাধীণ উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হেলাল সরকার; বগুড়া জেলাধীন তালোড়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল জলিল খন্দকার, তালোড়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আবদুল জলিল খন্দকার; কুমিল্লা উত্তর জেলাধীন দেবিদ্বার পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম, দেবিদ্বার পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শহিদ, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হালিম সরকার, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. বশির সরকার, দেবিদ্বার পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহসিন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া অপু; ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. আক্রাম আলী ভুলু, কিশোরগঞ্জ জেলাধীন ভৈরব উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ আল-মামুন, বরগুনা জেলাধীন বেতাগী উপজেলার ১নং বিবিচিনি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোর্শেদ হাসান নয়ন, পাথরঘাটা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য নাজমুন নাহার পাপড়িকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ ২৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ তাদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য পটুয়াখালী জেলাধীন মির্জাগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত মজিদবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হোসেন মৃধা’র দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ স্থগিত করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক আজ ২৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ তার পদের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানায় বিএনপি।
বিএনপি
তৌহিদী জনতার ওপর সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে: রুমিন ফারহানা
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Tuesday, 25 November 2025 13:34
- বিভাগঃ সারাদেশ
বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের আহ্বায়ক হলেন ইশরাক
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Tuesday, 25 November 2025 13:29
- বিভাগঃ রাজনীতি
বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে আহ্বায়ক করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নতুন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে অ্যাডভোকেট কে এম কামরুজ্জামান নান্নুকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। মোট সদস্য সংখ্যা ১০১ জন।
সোমবার জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ উলফাত স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমতিক্রমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কর্তৃক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে আহ্বায়ক, অ্যাড. কে এম কামরুজ্জামান নান্নুকে সদস্য সচিব এবং ড. কে. এম.আই. মন্টিকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়।’
বিএনপি ইশরাক হোসেন
এলডিসি ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Tuesday, 25 November 2025 13:24
- বিভাগঃ প্রধান ফিচার খবর
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ এবং বন্দরের বিষয়সহ যে কোনো দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার শুধুমাত্র নির্বাচিত সরকারেরই আছে।
নির্বাচনী ম্যান্ডেট যাদের নেই, তাদের এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার নিজের ফেসবুক পাতায় দীর্ঘ এক পোস্টে ব্যাখ্যা দিয়েছেন এসব বিষয়ের।
তিনি লিখেছেন, ‘একবার গাজীপুরের একজন ছোট পোশাক কারখানার মালিককে কল্পনা করুন। তিনি দশ বছরের বেশি সময় ধরে নিজের ব্যবসা গড়ে তুলেছেন। শতাধিক কর্মীকে কাজ দিয়েছেন। খুব চাপের মধ্যে থেকে হিসাব মিলিয়েছেন। কঠিন বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে আছেন। একদিন হঠাৎ কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সেই শুল্ক সুবিধাগুলো, যেগুলো তার পণ্যের দামকে প্রতিযোগিতায় রাখত, নীরবে উঠে গেল। এতে তার অর্ডার কমতে শুরু করল। আর বাড়তে লাগল চাপ—কারখানা চালিয়ে রাখা, শ্রমিকদের বেতন দেওয়া, নিজের পরিবারকে নিরাপদ রাখা।
এবার কল্পনা করুন নারায়ণগঞ্জের এক তরুণীকে, যিনি দেখছেন তার পরিবার অনিশ্চয়তার দিকে ঢুকে যাচ্ছে। তার বাবা একটি কারখানায় কাজ করেন। সংসার চালাতে তিনি ওভারটাইমের ওপর নির্ভর করেন। রপ্তানির চাপে পড়লেই প্রথমে ওভারটাইম বন্ধ হয়। তারপর শিফট কমে। তারপর চাকরিও চলে যায়। এগুলো কোনো শিরোনামে আসে না। এগুলো সাধারণ পরিবারের ভেতরের নীরব সংকট।
তারা কেউই এই সিদ্ধান্তে ভোট দেয়নি। কেউ তাদের কিছু জিজ্ঞেসও করেনি। বাস্তব হিসাবও দেখানো হয়নি। এই কারণেই বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণের বিষয়টি সরকারি বিবৃতির চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
বিএনপি আগেও বলেছে—২০২৬ সালের সময়সূচি ধরে এগিয়ে যাওয়া, কিন্তু স্থগিত রাখার বিকল্প না রাখা—এটা পুরোপুরি একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্তটি এমন একটি অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে, যার কোনো নির্বাচিত জনসমর্থন নেই। অথচ সেই সরকার দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিকে বহু দশক প্রভাবিত করবে এমন দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
আমাদের বলা হচ্ছে—সময় বাড়ানো ‘অসম্ভব’। স্থগিত করতে চাওয়া ‘অপমানজনক’। জাতিসংঘ নাকি তা বিবেচনাও করবে না।
কিন্তু ইতিহাস অন্য কথা বলে। অ্যাঙ্গোলা ও সামোয়ার মতো দেশগুলোর উত্তরণের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। জাতিসংঘের নিয়মেও রয়েছে—অর্থনৈতিক ধাক্কা এলে সময় বাড়ানোর সুযোগ থাকে। দেশের ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে কিছু সময় চাওয়া—একটি অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য দায়িত্বশীল আচরণ।
তাহলে আমরা কেন ভান করছি যে কোনো উপায় নেই? কেন আমরা নিজের ভবিষ্যৎ নিজেই সীমিত করছি?
স্থগিতের বিকল্প প্রকাশ্যে বন্ধ করে দিয়ে আমরা নিজেরাই আলোচনা করার ক্ষমতা দুর্বল করছি। আন্তর্জাতিক আলোচনায় আমরা প্রভাব খাটানোর সুযোগ হাতছাড়া করে আগেই দুর্বল অবস্থান থেকে টেবিলে বসছি।
সরকারের নিজের নথিপত্রেই দেখা যায়—ব্যবসায়ীরা ব্যাংক খাতে চাপ, বৈদেশিক মুদ্রায় সংকট, ঋণের ঝুঁকি বৃদ্ধি, রপ্তানি কমে যাওয়ার চাপ—সবই অনুভব করছেন।
এটা উত্তরণ–বিরোধী কোনো বক্তব্য নয়। বাংলাদেশ এগিয়ে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। কিন্তু ‘যোগ্য’ হওয়া আর ‘প্রস্তুত’ হওয়া এক নয়।
আমি মনে করি, সিদ্ধান্ত গ্রহণে কোনো সন্দেহ না থাকা মানেই সেটা প্রকৃত জাতীয় শক্তি নয়। প্রকৃত জাতীয় শক্তি হলো, অপরিবর্তনীয় কিছু হয়ে ওঠার আগেই কঠিন প্রশ্নগুলো করার সুযোগ থাকা।
এবার তাকান চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে—যেটি বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান প্রবেশদ্বার। এখানে যা ঘটে, তা লক্ষ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে—যেকোনো রাজনৈতিক বক্তৃতার চেয়ে বেশি।
সম্প্রতি বন্দর নিয়ে যেসব দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা সাধারণ বিষয় নয়। এগুলো দেশের কৌশলগত সম্পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত। এসব এগিয়ে নিচ্ছে একটি অন্তর্বর্তী সরকার—যার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বেঁধে দেওয়ার অধিকার নেই।
চট্টগ্রাম বন্দরের ক্ষেত্রে যা দেখা যাচ্ছে, তা–ই দেখা যাচ্ছে এলডিসি উত্তরণের ক্ষেত্রেও। কৌশলগত বিকল্পগুলো বন্ধ করা হচ্ছে। জনআলোচনাকে গুরুত্বহীন বলা হচ্ছে। যুক্তিসংগত উদ্বেগকে ‘গতির প্রয়োজন’ বা ‘অবশ্যম্ভাবিতা’র নামে সরিয়ে রাখা হচ্ছে।
আমি পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—এটা কোনো ব্যক্তিকে আক্রমণ করার বিষয় নয়। এটা প্রতিষ্ঠান রক্ষা করার বিষয়। এবং সেই নীতিকে রক্ষা করার বিষয়—যে নীতি বলে, যেসব সিদ্ধান্ত দশকের পর দশক একটা দেশের জীবনকে গড়ে দেবে, সেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নির্বাচিত, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকারের।
কেউ বলছে না যে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ করবে না বা বন্দরের সংস্কার হবে না। কথাটি আরও সহজ—এবং আরও গভীর: একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে কেবল সেই সরকার, যাকে দেশের মানুষ নিজের ভোটে নির্বাচন করেছে।
কৌশলগত ধৈর্য দুর্বলতা নয়। জনসম্পৃক্ততা বাধা নয়। গণতান্ত্রিক বৈধতা দেরি নয়। আর আমার মতে, সবকিছুর নিচে যে সত্যটি লুকিয়ে আছে তা হলো—
বাংলাদেশের মানুষ কখনোই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিষ্ক্রিয় ছিল না। তারা কষ্ট করেছে, ত্যাগ করেছে—কারণ তারা মর্যাদা, কথা বলার অধিকার এবং নিজের সিদ্ধান্তের ওপর বিশ্বাস রাখে।
তাদের চাওয়া খুব সাধারণ: তাদের কথা শোনার সুযোগ, অংশ নেওয়ার অধিকার, সম্মান।
এই কারণেই অনেকে আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের দিকে—যেখানে বাংলাদেশের মানুষ কথা বলবে, সিদ্ধান্ত নেবে এবং আবারও প্রমাণ করবে একটি সহজ সত্য: এই দেশের ভবিষ্যৎ গড়বে এই দেশের মানুষ নিজেরাই—‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বিশ্বাস নিয়ে।’
তারেক রহমান বিএনপি
যুবদলের সভায় হঠাৎ ফোন, যা বললেন তারেক রহমান
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Tuesday, 25 November 2025 13:19
- বিভাগঃ অন্যান্য ফিচার খবর
24 November 2025
‘সরকারের আচরণে মনে হচ্ছে গরীব শিক্ষকরা দেশের নাগরিক না’
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Monday, 24 November 2025 16:13
- বিভাগঃ জাতীয়
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই সরকারের আচরণে মনে হয় গরীব শিক্ষকরা দেশের নাগরিক না।
তিনি বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে প্রধান উপদেষ্টা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবেন। তবে কিছু কিছু উপদেষ্টার আচরণে সেটি মনে হয় না।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এমপিওভুক্তির দাবিতে নন এমপিও শিক্ষকদের চলমান আন্দোলনে অংশ নিয়ে রিজভী এসব কথা বলেন।
এ সময় নন-এমপিও শিক্ষকদের দাবিকে শতভাগ ন্যায়সঙ্গত জানিয়ে আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন বিএনপি নেতা।
উল্লেখ্য, বিগত ২৩ দিন ধরে নন এমপি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষকরা। সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্যপরিষদের ব্যানারে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ৪ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা আন্দোলন ও অনশন কর্মসূচি করে আসছে শিক্ষকরা।
বিএনপি রুহুল কবির রিজভী এমপিওভুক্ত শিক্ষক
রংপুর বিভাগের কয়েকটি আসনে বিএনপির দুর্বল প্রার্থী দেওয়ার রহস্য কী?
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Monday, 24 November 2025 16:08
- বিভাগঃ রাজনীতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭ টি আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। বেশিরভাগ আসনেই যোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে বেশ কিছু আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে। প্রার্থী বদলের দাবিতে রোজ বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল হচ্ছে। রংপুর বিভাগের বেশ কিছু আসনে দুর্বল প্রার্থী দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রংপুর বিভাগের একাধিক জেলার নেতারা জানান, এই বিভাগীয় আসনগুলোর বেশ কয়েকটিতে মনোনয়নে তারা রহস্য দেখছেন। যেখানে জামায়াতের প্রার্থী মোটামুটি ভালো অবস্থানে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে, অভিযোগ উঠেছে-বিএনপির জনপ্রিয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে সেখানে দুর্বল প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এর পেছনের উদ্দেশ্য নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
রংপুর বিভাগের তিনটি জেলার দায়িত্বশীল অন্তত দশজন নেতা প্রায় একই রকম তথ্য দিয়ে যুগান্তরকে জানান, বেশ কয়েকটি আসনের মনোনয়ন দেখে মনে হয়েছে, অন্য দলের ইশারায় বিএনপির দুর্বল প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যাতে ওই দলের প্রার্থী জয়ী হতে পারেন। বিষয়টি কেন করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি অনুরোধ জানান নেতারা। ওই নেতারা জানান, রংপুরের দুটি, গাইবান্ধার একাধিক, কুড়িগ্রামের দুটিসহ আরও বেশ কয়েকটি আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বিএনপির দুর্বল প্রার্থীকে। এটি জামায়াতের প্রার্থীদের সুবিধার জন্য দেওয়া হলো কি না-এমন প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, ওইসব আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণার পর সেখানে অন্য দলের প্রার্থীর অনুসারীরা মিষ্টিমুখ করিয়েছেন বলে স্থানীয় বিএনপি নেতারা দেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে দলের সাংগঠনিক টিমকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো নিরপেক্ষ টিমকে তদন্ত করতে কয়েকজন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাকে অনুরোধ করা হয়েছে।
রংপুর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন বিএনপি
রংপুর বিভাগের কয়েকটি আসনে বিএনপির দুর্বল প্রার্থী দেওয়ার রহস্য কী?
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Monday, 24 November 2025 16:08
- বিভাগঃ রাজনীতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭ টি আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। বেশিরভাগ আসনেই যোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে বেশ কিছু আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে। প্রার্থী বদলের দাবিতে রোজ বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল হচ্ছে। রংপুর বিভাগের বেশ কিছু আসনে দুর্বল প্রার্থী দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রংপুর বিভাগের একাধিক জেলার নেতারা জানান, এই বিভাগীয় আসনগুলোর বেশ কয়েকটিতে মনোনয়নে তারা রহস্য দেখছেন। যেখানে জামায়াতের প্রার্থী মোটামুটি ভালো অবস্থানে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে, অভিযোগ উঠেছে-বিএনপির জনপ্রিয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে সেখানে দুর্বল প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এর পেছনের উদ্দেশ্য নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
রংপুর বিভাগের তিনটি জেলার দায়িত্বশীল অন্তত দশজন নেতা প্রায় একই রকম তথ্য দিয়ে যুগান্তরকে জানান, বেশ কয়েকটি আসনের মনোনয়ন দেখে মনে হয়েছে, অন্য দলের ইশারায় বিএনপির দুর্বল প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যাতে ওই দলের প্রার্থী জয়ী হতে পারেন। বিষয়টি কেন করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি অনুরোধ জানান নেতারা। ওই নেতারা জানান, রংপুরের দুটি, গাইবান্ধার একাধিক, কুড়িগ্রামের দুটিসহ আরও বেশ কয়েকটি আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বিএনপির দুর্বল প্রার্থীকে। এটি জামায়াতের প্রার্থীদের সুবিধার জন্য দেওয়া হলো কি না-এমন প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, ওইসব আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণার পর সেখানে অন্য দলের প্রার্থীর অনুসারীরা মিষ্টিমুখ করিয়েছেন বলে স্থানীয় বিএনপি নেতারা দেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে দলের সাংগঠনিক টিমকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো নিরপেক্ষ টিমকে তদন্ত করতে কয়েকজন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাকে অনুরোধ করা হয়েছে।
রংপুর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন বিএনপি
চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Monday, 24 November 2025 15:45
- বিভাগঃ অন্যান্য ফিচার খবর
এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। রোববার রাত ৮টার দিকে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
পরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী সাংবাদিকদের জানান- খালেদা জিয়ার হার্ট ও চেস্টে (ফুসফুস) ইনফেকশন হয়েছে। হাসপাতালে চিকৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে।
তিনি বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরেই উনি খুব ঘন ঘন আক্রান্ত হচ্ছিলেন। আজকে আমরা যে কারণে এখানে (এভারকেয়ার হাসপাতালে) ভর্তি করিয়েছি, সেটা হচ্ছে- উনার কতগুলো সমস্যা একসাথে দেখা দিয়েছে। সেটা হচ্ছে, উনার চেস্টে ইনফেকশন হয়েছে।’
অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকীর ভাষায়, ‘যেহেতু উনার হার্টের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। উনার হার্টে পারমানেন্ট পেসমেকার আছে এবং হার্টে ওনার স্ট্যান্ডিং করা হয়েছিল, রিং পরানো হয়েছিল। তারপরেও উনার মাইট্রোস্টেনোসিস নামে একটা কন্ডিশন আছে। সেজন্য চেস্টে ইনফেকশন হওয়াতে উনার একসাথে হার্ট ও ফুসফুস দুটোই একই সময়ে আক্রান্ত হয় এবং এতে উনার খুব রেসপিরেটরি ডিস্ট্রেস হচ্ছিল। সেজন্য এখানে আমরা খুব দ্রুত ওনাকে নিয়ে এসেছি।’
খালেদা জিয়া ২৪ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন উল্লেখ করে মেডিকেল বোর্ডের এই সদস্য বলেন, হাসপাতালে আনার পর আমরা খুব তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত যে পরীক্ষাগুলো করা দরকার তা করেছি। আমরা প্রাথমিক যে রিপোর্ট পেয়েছি সে অনুযায়ী, মেডিকেল বোর্ডের সবাই বসে আমরা প্রাথমিকভাবে উনাকে এন্টিবায়োটিক দিয়েছি, ওনাকে যেভাবে প্রাথমিক দ্রুত এবং জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার দরকার হয় সেটা দিয়েছি।’
তিনি বলেন, আশা করছি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও কিছু রিপোর্ট আসবে। উনি আমাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। আমরা মনে করছি, নেক্সট ১২ ঘণ্টায় উনার পরবর্তী পরিস্থিতি কী হয় সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই মুহূর্তে উনি আমাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা এবং আমরা যেটাকে খুব ভালোভাবে বলি, খুব ইন্টেন্সিভভাবে আমাদের মনিটরিং এর মধ্যে আছেন। কেবিনেই আছেন উনি।’
এর আগে, রোববার (২৩ নভেম্বর) রাত ৮টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে আছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে নেওয়ার পরপর বেশ কিছু টেস্ট করা হয়। এরপর অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকাদারের সভাপতিত্বে মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে। এ বৈঠকে অধ্যাপক এফএস সিদ্দিকী, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. জিয়াউল হক, ডা. মামুন আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইফুল ইসলাম এবং লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ডা. জুবাইদা রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে জনহোপকিংস হসপিটালের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অংশ নেন।
অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী বলেন, ‘মেডিকেল বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ম্যাডামের চিকিৎসা শুরু হয়েছে।’
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ডেফিনেটলি সুচিকিসার ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে নিবিড়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অত্যন্ত উৎকণ্ঠিত কোনো বিষয় আমরা মনে করছি না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করছি, উনার চিকিৎসাটা যদি এখন যেভাবে শুরু হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। তাহলে আগামী ১২ ঘণ্টার পর মেডিকেল বোর্ড আবার বসবেন। বসার পর উনার স্বাস্থ্যের অবস্থার ওপর পর্যবেক্ষণ করে কী ধরনের চিকিৎসার পরিবর্তন আনা যায়, সে অনুযায়ী বোর্ড ব্যবস্থা নেবে।’
এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, রোববার ভোর থেকেই উনার ছেলে তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমান ম্যাডামের ব্যাপারে সর্বাক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। এছাড়া ম্যাডামের ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর সহধর্মিনী সৈয়দা শামিলা রহমান তার সঙ্গেই আছেন… উনাদের আত্বীয় স্বজনরা ম্যাডামের চিকিৎসার ব্যাপারে সবসময় সহযোগিতা ও খোঁজ-খবর রাখছেন।’
তিনি এ সময় আরও জানান, ম্যাডাম আপনাদের (সাংবাদিকদের) মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন। যেমনি অতীতেও ম্যাডামের জন্য দোয়া করেছেন দেশবাসী।
৮০ বছর বয়সি খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।
গত ৭ জানুয়ারি তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। সেখানে ১১৭ দিন অবস্থান করে চিকিৎসা শেষে গত ৬ মে দেশে ফেরেন।
বিএনপি খালেদা জিয়া হাসপাতাল
মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়ার হার্ট ও ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে
- প্রকাশের সময় ও তারিখঃ Monday, 24 November 2025 15:37
- বিভাগঃ প্রধান ফিচার খবর
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার হার্ট ও ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে।
রোববার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী সাংবাদিকদের একথা জানান।
তিনি বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরেই উনি খুব ঘন ঘন আক্রান্ত হচ্ছিলেন। আজকে আমরা যে কারণে এখানে (এভারকেয়ার হাসপাতালে) ভর্তি করিয়েছি, সেটা হচ্ছে- উনার কতগুলো সমস্যা একসাথে দেখা দিয়েছে। সেটা হচ্ছে, উনার চেস্টে ইনফেকশন হয়েছে।’
অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকীর ভাষায়, ‘যেহেতু উনার হার্টের সমস্যা আগে থেকেই ছিল। উনার হার্টে পারমানেন্ট পেসমেকার আছে এবং হার্টে ওনার স্ট্যান্ডিং করা হয়েছিল, রিং পরানো হয়েছিল। তারপরেও উনার মাইট্রোস্টেনোসিস নামে একটা কন্ডিশন আছে। সেজন্য চেস্টে ইনফেকশন হওয়াতে উনার একসাথে হার্ট ও ফুসফুস দুটোই একই সময়ে আক্রান্ত হয় এবং এতে উনার খুব রেসপিরেটরি ডিস্ট্রেস হচ্ছিল। সেজন্য এখানে আমরা খুব দ্রুত ওনাকে নিয়ে এসেছি।’
খালেদা জিয়া ২৪ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন উল্লেখ করে মেডিকেল বোর্ডের এই সদস্য বলেন, হাসপাতালে আনার পর আমরা খুব তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত যে পরীক্ষাগুলো করা দরকার তা করেছি। আমরা প্রাথমিক যে রিপোর্ট পেয়েছি সে অনুযায়ী, মেডিকেল বোর্ডের সবাই বসে আমরা প্রাথমিকভাবে উনাকে এন্টিবায়োটিক দিয়েছি, ওনাকে যেভাবে প্রাথমিক দ্রুত এবং জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার দরকার হয় সেটা দিয়েছি।’
তিনি বলেন, আশা করছি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও কিছু রিপোর্ট আসবে। উনি আমাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। আমরা মনে করছি, নেক্সট ১২ ঘণ্টায় উনার পরবর্তী পরিস্থিতি কী হয় সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই মুহূর্তে উনি আমাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা এবং আমরা যেটাকে খুব ভালোভাবে বলি, খুব ইন্টেন্সিভভাবে আমাদের মনিটরিং এর মধ্যে আছেন। কেবিনেই আছেন উনি।’
এর আগে, রোববার (২৩ নভেম্বর) রাত ৮টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধায়নে আছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে নেওয়ার পরপর বেশ কিছু টেস্ট করা হয়। এরপর অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকাদারের সভাপতিত্বে মেডিকেল বোর্ড বৈঠকে বসে। এ বৈঠকে অধ্যাপক এফএস সিদ্দিকী, ডা. জাফর ইকবাল, ডা. জিয়াউল হক, ডা. মামুন আহমেদ, অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সাইফুল ইসলাম এবং লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ডা. জুবাইদা রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে জনহোপকিংস হসপিটালের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অংশ নেন।
অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী বলেন, ‘মেডিকেল বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ম্যাডামের চিকিৎসা শুরু হয়েছে।’
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ডেফিনেটলি সুচিকিসার ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে নিবিড়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অত্যন্ত উৎকণ্ঠিত কোনো বিষয় আমরা মনে করছি না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করছি, উনার চিকিৎসাটা যদি এখন যেভাবে শুরু হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। তাহলে আগামী ১২ ঘণ্টার পর মেডিকেল বোর্ড আবার বসবেন। বসার পর উনার স্বাস্থ্যের অবস্থার ওপর পর্যবেক্ষণ করে কী ধরনের চিকিৎসার পরিবর্তন আনা যায়, সে অনুযায়ী বোর্ড ব্যবস্থা নেবে।’
খালেদা জিয়া চিকিৎসা
সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান
মহাসচিব
বেগম জিয়া টুইটারে
বিএনপি টুইটারে
বিএনপি ফেসবুকে
বিএনপি ইউটিউবে
ভিজিটর
নামাজের সময়সূচী
| ওয়াক্ত | শুরু | জামাত |
| ফজর | ৫-০৬ | ৫-৪৫ |
| জোহর | ১২-১৪ | ১-১৫ |
| আসর | ৪-২৩ | ৪-৪৫ |
| মাগরিব | ৬-০৬ | ৬-১১ |
| এশা | ৭-১৯ | ৮-০০ |
ফেসবুকে আমরা
চাকরির খবর
সর্বশেষ সংবাদ
- ৬৫ জনকে সুখবর দিল বিএনপি
- তৌহিদী জনতার ওপর সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে: রুমিন ফারহানা
- বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের আহ্বায়ক হলেন ইশরাক
- এলডিসি ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে যা বললেন তারেক রহমান
- যুবদলের সভায় হঠাৎ ফোন, যা বললেন তারেক রহমান
- ‘সরকারের আচরণে মনে হচ্ছে গরীব শিক্ষকরা দেশের নাগরিক না’
- রংপুর বিভাগের কয়েকটি আসনে বিএনপির দুর্বল প্রার্থী দেওয়ার রহস্য কী?
- রংপুর বিভাগের কয়েকটি আসনে বিএনপির দুর্বল প্রার্থী দেওয়ার রহস্য কী?
- চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া
- মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়ার হার্ট ও ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে
- মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়ার হার্ট ও ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে
- মেডিক্যাল বোর্ড খালেদা জিয়ার হার্ট ও ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে
- হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ: সালাহউদ্দিন
- অপরাধ-সন্ত্রাস দমনে সরকার শিথিলতা দেখাচ্ছে: রিজভী
- জামায়াতকে ইঙ্গিত করে যা বললেন বিএনপি মহাসচিব












